সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রকল্প, শেয়ার, পেমেন্ট, সাইট ভিজিট এবং ডকুমেন্ট নিয়ে প্রয়োজনীয় উত্তরগুলো এক জায়গায়।
প্রশ্ন ও উত্তর
আপনার মনে কি কোনো প্রশ্ন আছে?
কমিটি ভিত্তিক নির্মাণ, শেয়ার বুকিং এবং আমাদের প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর এখানে পাবেন। আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি আমাদের কল করতে পারেন।
জরুরী প্রয়োজনে কল করুন:
+8801747325522কমিটি ভিত্তিক নির্মাণে কোনো ডেভেলপার কোম্পানি থাকে না, ফলে তাদের প্রফিট অংশটি আপনার সাশ্রয় হয়। এছাড়া মেম্বাররা নিজেরা তদারকি করেন বলে নির্মাণের মান বজায় থাকে এবং খরচের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।
প্রজেক্টের শুরুতে জমির বায়না করা হয় এবং বায়ার গ্রুপ পূর্ণ হওয়ার পর সরাসরি মেম্বারদের নামে জমি সাব-কবলা রেজিস্ট্রেশন করে দেওয়া হয়। এতে আপনি জমির সরাসরি মালিকানা লাভ করেন।
জমির মূল্য এককালীন পরিশোধ করতে হয় এবং নির্মাণ খরচ প্রজেক্টের সময়সীমা অনুযায়ী (সাধারণত ২৪-৩৬ মাস) সহজ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করা যায়।
কমিটি গঠন করার পর আর্কিটেকচারের সাথে আলোচনা করে অভ্যন্তরীণ লেআউটে কিছু পরিবর্তন আনা সম্ভব, যদি তা মূল স্ট্রাকচারের ক্ষতি না করে।
আমরা প্রতিটি প্রজেক্টের জমির আর এস, সি এস পরচা, নামজারি এবং ডিসিআর সহ যাবতীয় আইনি ডকুমেন্টস ওপেন রাখি। আপনি আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে সেগুলো যাচাই করে নিতে পারেন।
সাধারণত লটারির মাধ্যমে বা বুকিং সিরিয়াল অনুযায়ী তলা ও পজিশন বণ্টন করা হয়। এটি কমিটি এবং মেম্বারদের সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারিত হয়।
জমির রেজিস্ট্রেশন এবং প্ল্যান পাসের পর সাধারণত ৩০ থেকে ৩৬ মাসের মধ্যে আমরা প্রজেক্ট হ্যান্ডওভার করার লক্ষ্যমাত্রা রাখি।
জি, মেম্বারদের প্রোফাইল অনুযায়ী ব্যাংক লোনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ডকুমেন্টস দিয়ে আমরা সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করি।
যেহেতু জমি সরাসরি মেম্বারদের নামে রেজিস্ট্রেশন হয় এবং খরচ মেম্বারদের তদারকিতেই হয়, তাই এখানে অর্থ আত্মসাৎ বা মালিকানা হারানোর কোনো ঝুঁকি নেই।
যদি কোনো মেম্বার মাঝপথে শেয়ার বিক্রি করতে চান, তবে কমিটির অনুমতি সাপেক্ষে তিনি তার শেয়ার অন্য কারো কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করতে পারবেন।
টোকেন মানি হলো প্রজেক্টে আগ্রহ প্রকাশের প্রাথমিক নিশ্চয়তা, যা ফেরতযোগ্য। আর বুকিং মানি হলো নির্দিষ্ট শেয়ার চূড়ান্ত করার আনুষ্ঠানিক পেমেন্ট, যা সাধারণত অফেরতযোগ্য।
জমি সাব-কবলা রেজিস্ট্রেশন, নামজারি (Mutation) এবং এর আনুষঙ্গিক সমস্ত সরকারি ফি শেয়ারহোল্ডার বা মেম্বারদের নিজেদের বহন করতে হবে। এটি জমির মূল্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।
যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত, যেমন— রড-সিমেন্ট কেনা বা ডিজাইনে পরিবর্তন আনা, এক্সিকিউটিভ কমিটির সকল মেম্বারের সাথে মিটিং করে ভোটাভুটির (Majority) মাধ্যমে নেওয়া হয়।
কমিটির মেম্বাররা নিজেরাই বাজার যাচাই করে সরাসরি নামিদামি কোম্পানি বা ডিলারের কাছ থেকে ম্যাটেরিয়াল কেনেন, তাই এখানে ভেজাল বা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কোনো সুযোগ থাকে না।
প্রজেক্ট হস্তান্তরের পর মেম্বাররা একটি 'ফ্ল্যাট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন' (Flat Owners Association) গঠন করবেন, যারা যৌথ ফান্ডের মাধ্যমে ভবনের আজীবন মেইনটেন্যান্স পরিচালনা করবেন।
হ্যাঁ, প্রবাসীরা তাদের দেশে থাকা মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (Power of Attorney) দেওয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ায় জমি রেজিস্ট্রেশন ও কমিটিতে যুক্ত হতে পারবেন।
যেহেতু ফান্ডিং মেম্বাররাই করছেন, তাই ফান্ডিং রেগুলার থাকলে কাজ নির্দিষ্ট সময়েই শেষ হয়। প্রাকৃতিক বা জাতীয় বড় কোনো দুর্যোগ ছাড়া সাধারণত নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকে না।
স্বপ্ন প্রোপার্টিজের নিজস্ব দক্ষ আর্কিটেক্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং টিম রাজউকের (RAJUK) বিধিমালা সম্পূর্ণ মেনে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও ভূমিকম্প সহনশীল ডিজাইন প্রস্তুত করে।
আমরা কোনো প্রজেক্ট হাতে নেওয়ার আগে নিজস্ব লিগ্যাল টিম দিয়ে জমির সিএস, আরএস, এসএ, নামজারি এবং এনইসি (NEC) নিখুঁতভাবে চেক করি। কোনো আইনি জটিলতা থাকলে আমরা সেই জমি নিই না।
হ্যাঁ, আপনি চাইলে একটি প্রজেক্টে একাধিক শেয়ার বা ফ্ল্যাটের অংশ কিনতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনার ফান্ডের পরিমাণ অনুযায়ী পেমেন্ট শিডিউল নির্ধারণ করা হবে।
